একটি অনীহা এবং একটি না জন্মানো গানের উপসংহার
ঝুলছে খোয়াব কল্পতরুর ডালে,
বাঘের পালে হরিণ সেজে ঘুরছে ঘোগের দল
কোপ মারছে, ঝোপটি বুঝে, যাচ্ছে মিশে রোজ সকালে,
অন্তরালে,
দেখছি আমি রোজ,
আদর করার মুহূর্ত যেন মহাকালের নিলামঘর,
কাটছি জাল, পড়ছি আবার মায়ার জালে
আটকা পড়া ফড়িং যেন যায় গুটিয়ে
ঠিক তেমনি ভয় পেয়ে যায় রাজপুত্তুর আজ দাঁড়ালে -
দেখছিস কি তুই?
উঠছি গাছে দিন প্রতিদিন, যাচ্ছে পুড়ে খেলনাঘর
মই কাড়ছিস, ভাত মারছিস, ফুসফুসে নীল ধোঁয়ার শহর
পাপ করেছি, শাপ লেগেছে,
নাম ভুলে যাই,
রোজার শেষে বুঝতে পারি, পড়ছি নমাজ ভুল করে,
মাদ্রাসা ফের বন্ধ করি, আটকে গেছে শীতের জ্বর।
কাঁথায় আগুন,
জল মেলে না সাগরপানে গিয়ে,
কি যে হবে অতঃপর?
তাও দেখছি খোয়াব, লিখছি যতেক খোয়াবনামা
ঝুলছে খোয়াব কল্পতরুর ডালে,
নাম কামিয়ে বেশ্যাবৃত্তি ছেড়ে দেব ফাঁকতালে -
পূর্বরাগের কিসসা যদি আমার নামের ফলক,
আটকে গেছে রাজার চোখ,
খানিক অন্ন ধ্বংস হোক?
দেখিয়ে নাহয় কাব্য খোদাই
নগ্নতার আর এক ঝলক -
তাও তো তোকে দেখছি রোজ, দেখছি মরণকালে
দেখছি তোকে, লেপ্টে আছিস, অনুভূতির জঞ্জালে,
এবার নিছক কাব্য হোক,
অনীহা এবং যতেক শোক,
তোর যোনিতেই পাতাল লোক,
তোর চোখেতেই গীতার শ্লোক,
কাজল-কাটা হরিণ আমিই, লুকিয়ে বাঘের পালে!
Comments
Post a Comment