Arya

বোধিবৃক্ষ চিনতে শেখার আগে,
মেলানিনের স্পর্শকাতর তুই,
গ্লাস উপচে পাপের শরীর জাগে,
তাহলেই বল, কেমনে তোকে ছুঁই?

••••

𝗣𝗔𝗥𝗧 𝟭 • 𝗧𝗛𝗘 𝗝𝗢𝗘𝗦 𝗢𝗙 𝗧𝗛𝗘 𝗛𝗢𝗘𝗦

𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘪𝘴 𝘢 𝘣𝘪𝘵 𝘤𝘰𝘯𝘧𝘶𝘴𝘦𝘥. 

𝘛𝘢𝘮𝘰𝘫𝘪𝘵 𝘩𝘢𝘴𝘯'𝘵 𝘳𝘦𝘢𝘭𝘭𝘺 𝘣𝘦𝘦𝘯 𝘵𝘩𝘪𝘴 𝘭𝘢𝘵𝘦. 𝘌𝘷𝘦𝘳. 𝘓𝘪𝘬𝘦, 𝘦𝘷𝘦𝘳. 𝘠𝘦𝘴, 𝘩𝘦 𝘩𝘢𝘴 𝘢𝘯 𝘢𝘪𝘭𝘪𝘯𝘨 𝘮𝘶𝘮, 𝘢 𝘵𝘦𝘦𝘯𝘢𝘨𝘦 𝘴𝘪𝘴𝘵𝘦𝘳 𝘵𝘩𝘢𝘵'𝘴 𝘩𝘢𝘳𝘥 𝘵𝘰 𝘬𝘦𝘦𝘱 𝘢𝘵 𝘩𝘰𝘮𝘦, 𝘣𝘶𝘵, 𝘴𝘦𝘳𝘪𝘰𝘶𝘴𝘭𝘺? 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘸𝘢𝘴 𝘢𝘣𝘰𝘶𝘵 𝘵𝘰 𝘨𝘦𝘵 𝘵𝘰 𝘵𝘩𝘦 𝘯𝘦𝘹𝘵 𝘮𝘦𝘵𝘳𝘰, 𝘸𝘩𝘦𝘯 𝘛𝘢𝘮𝘰𝘫𝘪𝘵 𝘴𝘩𝘰𝘸𝘴 𝘶𝘱, 𝘩𝘪𝘴 𝘶𝘴𝘶𝘢𝘭 𝘨𝘳𝘪𝘯 𝘰𝘯 𝘩𝘪𝘴 𝘧𝘢𝘤𝘦. 𝘛𝘩𝘦 𝘵𝘺𝘱𝘦 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘤𝘢𝘭𝘭𝘴, ক্যালানেকেষ্ট .

"𝘈𝘩𝘩 𝘮𝘢𝘯, 𝘴𝘩𝘪𝘵 𝘩𝘢𝘱𝘱𝘦𝘯𝘴", 𝘩𝘦 𝘴𝘢𝘺𝘴. 

"𝘉𝘶𝘵 𝘺𝘰𝘶𝘳 𝘴𝘩𝘪𝘵 𝘩𝘢𝘱𝘱𝘦𝘯𝘴 𝘦𝘷𝘦𝘳𝘺𝘥𝘢𝘺" , 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘨𝘳𝘶𝘮𝘣𝘭𝘦𝘴. 𝘛𝘩𝘦𝘯 𝘴𝘩𝘦 𝘯𝘰𝘵𝘪𝘤𝘦𝘴 𝘛𝘢𝘮𝘰 𝘤𝘳𝘺𝘪𝘯𝘨 𝘱𝘰𝘸𝘥𝘦𝘳 𝘵𝘦𝘢𝘳𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘪𝘮𝘮𝘦𝘥𝘪𝘢𝘵𝘦𝘭𝘺 𝘧𝘦𝘦𝘭𝘴 𝘤𝘰𝘯𝘤𝘦𝘳𝘯𝘦𝘥. "𝘞𝘩𝘢𝘵'𝘴 𝘸𝘳𝘰𝘯𝘨, 𝘛𝘢𝘮𝘰? " 𝘚𝘩𝘦 𝘢𝘴𝘬𝘴. 

"𝘔𝘰𝘮'𝘴 𝘣𝘦𝘦𝘯 𝘳𝘦𝘢𝘭 𝘴𝘪𝘤𝘬", 𝘛𝘢𝘮𝘰 𝘴𝘢𝘺𝘴. 

𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘪𝘴 𝘬𝘪𝘯𝘥𝘢 𝘧𝘦𝘥 𝘶𝘱 𝘢𝘵 𝘵𝘩𝘪𝘴 𝘱𝘰𝘪𝘯𝘵. 𝘌𝘷𝘦𝘳𝘺𝘥𝘢𝘺 𝘴𝘩𝘦 𝘸𝘢𝘪𝘵𝘴 𝘧𝘰𝘳 𝘛𝘢𝘮𝘰𝘫𝘪𝘵. 𝘛𝘩𝘦 𝘮𝘰𝘥𝘦𝘴𝘵 𝘪𝘯𝘤𝘰𝘮𝘦, 𝘵𝘢𝘭𝘭, 𝘥𝘢𝘳𝘬, 𝘩𝘢𝘯𝘥𝘴𝘰𝘮𝘦 𝘨𝘶𝘺, 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘭𝘪𝘷𝘦𝘴 𝘪𝘯 𝘢 𝘴𝘭𝘶𝘮, 𝘩𝘢𝘴 𝘢 𝘴𝘪𝘤𝘬 𝘮𝘰𝘵𝘩𝘦𝘳 𝘢𝘯𝘥 𝘢 𝘵𝘦𝘦𝘯𝘢𝘨𝘦 𝘴𝘪𝘴𝘵𝘦𝘳 𝘢𝘯𝘥 𝘪𝘴 𝘢𝘭𝘸𝘢𝘺𝘴 𝘸𝘦𝘢𝘳𝘪𝘯𝘨 𝘳𝘦𝘢𝘭𝘭𝘺 𝘴𝘩𝘪𝘵𝘵𝘺 𝘤𝘭𝘰𝘵𝘩𝘦𝘴. 𝘏𝘦'𝘴 𝘢 𝘵𝘦𝘢𝘤𝘩𝘦𝘳 𝘪𝘯 𝘢 𝘴𝘤𝘩𝘰𝘰𝘭, 𝘣𝘢𝘴𝘪𝘤𝘢𝘭𝘭𝘺 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘵𝘺𝘱𝘦 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘸𝘪𝘯 𝘪𝘯 𝘉𝘦𝘯𝘨𝘢𝘭𝘪 𝘯𝘰𝘷𝘦𝘭𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘭𝘰𝘴𝘦 𝘪𝘯 𝘳𝘦𝘢𝘭 𝘭𝘪𝘧𝘦. 

"𝘜𝘮𝘮, 𝘈𝘳𝘺𝘢, 𝘐 𝘨𝘰𝘵 𝘴𝘰𝘮𝘦𝘵𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘧𝘰𝘳 𝘺𝘰𝘶." 
"𝘈𝘯𝘥 𝘸𝘩𝘢𝘵 𝘪𝘴 𝘪𝘵? "
"𝘈 𝘨𝘪𝘧𝘵 𝘧𝘰𝘳 𝘺𝘰𝘶𝘳 𝘣𝘪𝘳𝘵𝘩𝘥𝘢𝘺. "
"𝘞𝘢𝘪𝘵, 𝘺𝘰𝘶 𝘳𝘦𝘮𝘦𝘮𝘣𝘦𝘳? 𝘈𝘯𝘥 𝘺𝘦𝘵 𝘺𝘰𝘶 𝘸𝘦𝘳𝘦 𝘭𝘢𝘵𝘦? "

𝘛𝘢𝘮𝘰 𝘴𝘮𝘪𝘭𝘦𝘴, 𝘢𝘯𝘥 𝘵𝘢𝘬𝘦𝘴 𝘰𝘶𝘵 𝘢 𝘱𝘭𝘢𝘪𝘯 𝘸𝘩𝘪𝘵𝘦 𝘦𝘯𝘷𝘦𝘭𝘰𝘱𝘦. "𝘛𝘩𝘢𝘵'𝘴 𝘮𝘺 𝘮𝘰𝘥𝘦𝘴𝘵 𝘨𝘪𝘧𝘵.", 𝘩𝘦 𝘴𝘢𝘺𝘴. 

𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘯𝘰𝘥𝘴, 𝘱𝘳𝘰𝘤𝘦𝘦𝘥𝘴 𝘵𝘰 𝘨𝘪𝘷𝘦 𝘛𝘢𝘮𝘰 𝘢 𝘩𝘶𝘨 𝘢𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘯 𝘳𝘦𝘢𝘭𝘪𝘴𝘦𝘴 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘩𝘦 𝘸𝘰𝘯'𝘵 𝘣𝘦 𝘤𝘰𝘮𝘧𝘰𝘳𝘵𝘢𝘣𝘭𝘦 𝘸𝘪𝘵𝘩 𝘩𝘶𝘨𝘴. 𝘚𝘩𝘦 𝘴𝘵𝘰𝘱𝘴 𝘢𝘸𝘬𝘸𝘢𝘳𝘥𝘭𝘺 𝘮𝘪𝘥-𝘢𝘪𝘳, 𝘢𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘣𝘰𝘵𝘩 𝘴𝘩𝘢𝘳𝘦 𝘢𝘸𝘬𝘸𝘢𝘳𝘥 𝘨𝘳𝘪𝘯𝘴. 𝘛𝘩𝘦𝘺 𝘨𝘦𝘵 𝘰𝘧𝘧 𝘢𝘵 𝘵𝘩𝘦𝘪𝘳 𝘳𝘦𝘴𝘱𝘦𝘤𝘵𝘪𝘷𝘦 𝘴𝘵𝘢𝘵𝘪𝘰𝘯𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘨𝘰𝘦𝘴 𝘵𝘰 𝘸𝘰𝘳𝘬. 𝘚𝘶𝘳𝘦 𝘦𝘯𝘰𝘶𝘨𝘩, 𝘵𝘩𝘦𝘳𝘦'𝘴 𝘚𝘩𝘢𝘵𝘳𝘶𝘥𝘩𝘢, 𝘴𝘵𝘢𝘯𝘥𝘪𝘯𝘨 𝘸𝘪𝘵𝘩 𝘵𝘩𝘦 𝘳𝘰𝘴𝘦𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦 𝘸𝘳𝘢𝘱𝘱𝘦𝘥 𝘱𝘳𝘦𝘴𝘦𝘯𝘵. 

"𝘓𝘰𝘰𝘬 𝘸𝘩𝘰'𝘴 𝘩𝘦𝘳𝘦! " 𝘚𝘢𝘺𝘴 𝘩𝘦. 𝘈 𝘵𝘩𝘰𝘶𝘴𝘢𝘯𝘥 𝘣𝘶𝘵𝘵𝘦𝘳𝘧𝘭𝘪𝘦𝘴 𝘱𝘭𝘢𝘺 𝘵𝘩𝘳𝘰𝘶𝘨𝘩𝘰𝘶𝘵 𝘩𝘪𝘴 𝘧𝘢𝘤𝘦. "𝘞𝘦'𝘳𝘦 𝘵𝘢𝘬𝘪𝘯𝘨 𝘩𝘢𝘭𝘧-𝘥𝘢𝘺𝘴, 𝘳𝘪𝘨𝘩𝘵?" 𝘚𝘢𝘺𝘴 𝘩𝘦. "𝘖𝘬𝘪𝘦 𝘥𝘰𝘬𝘪𝘦", 𝘴𝘢𝘺𝘴 𝘈𝘳𝘺𝘢. 

𝘈𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘴𝘱𝘦𝘯𝘵 𝘵𝘩𝘦 𝘩𝘢𝘱𝘱𝘪𝘦𝘴𝘵 𝘦𝘷𝘦𝘯𝘪𝘯𝘨 𝘵𝘰𝘨𝘦𝘵𝘩𝘦𝘳. 

𝘗𝘢𝘳𝘬. 𝘔𝘶𝘴𝘦𝘶𝘮. 𝘔𝘰𝘷𝘪𝘦. 𝘋𝘪𝘯𝘯𝘦𝘳. 𝘙𝘰𝘴𝘦 𝘸𝘪𝘯𝘦. 𝘈𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘯 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘬𝘪𝘴𝘴 𝘪𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘤𝘢𝘳. 

𝘛𝘳𝘶𝘴𝘵 𝘮𝘦, 𝘵𝘩𝘦 𝘴𝘵𝘰𝘳𝘺 𝘸𝘢𝘴 𝘵𝘰 𝘦𝘯𝘥 𝘩𝘦𝘳𝘦. 𝘉𝘶𝘵 𝘵𝘩𝘦𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘱𝘴𝘺𝘤𝘩𝘦𝘥𝘦𝘭𝘪𝘤 𝘵𝘰𝘢𝘥 𝘤𝘢𝘮𝘦 𝘪𝘯. 

 ••••••


আরশিতে যখন আকাশ কুয়োর মুখ,
অন্ধ কাকের লাশের বহর নামে,
ছাতিম গাছে একলা কবি ঝোলে,
বিকিয়ে পদ্য অতল রাতের দামে!


••••••


𝗣𝗔𝗥𝗧 𝟮 • 𝗧𝗛𝗘𝗥𝗘 𝗜𝗦 𝗔 𝗦𝗘𝗡𝗧𝗜𝗡𝗘𝗟

𝘛𝘩𝘦 𝘵𝘰𝘢𝘥 𝘬𝘦𝘱𝘵 𝘸𝘢𝘵𝘤𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘢𝘯𝘥 𝘩𝘦𝘳 𝘭𝘰𝘷𝘦𝘳. 
𝘏𝘰𝘸 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘦𝘮𝘣𝘳𝘢𝘤𝘦𝘥 𝘭𝘪𝘬𝘦 𝘴𝘯𝘢𝘬𝘦𝘴, 𝘴𝘵𝘢𝘳𝘷𝘪𝘯𝘨 𝘵𝘰 𝘮𝘢𝘵𝘦 𝘢𝘧𝘵𝘦𝘳 𝘢 𝘮𝘪𝘭𝘭𝘪𝘰𝘯 𝘩𝘶𝘯𝘨𝘳𝘺 𝘯𝘪𝘨𝘩𝘵𝘴 𝘶𝘯𝘥𝘦𝘳 𝘱𝘪𝘦𝘳𝘴.
𝘏𝘰𝘸 𝘦𝘷𝘦𝘳𝘺 𝘴𝘲𝘶𝘢𝘳𝘦 𝘪𝘯𝘤𝘩 𝘰𝘧 𝘈𝘳𝘺𝘢'𝘴 𝘎𝘰𝘥𝘥𝘦𝘴𝘴-𝘭𝘪𝘬𝘦 𝘣𝘰𝘥𝘺 𝘨𝘰𝘵 𝘥𝘦𝘷𝘰𝘶𝘳𝘦𝘥 𝘣𝘺 𝘚𝘩𝘢𝘵𝘳𝘶𝘥𝘩𝘢.
𝘏𝘰𝘸 𝘴𝘩𝘦 𝘴𝘲𝘶𝘦𝘢𝘭𝘦𝘥 𝘪𝘯 𝘱𝘭𝘦𝘢𝘴𝘶𝘳𝘦.

𝘈 𝘴𝘯𝘢𝘬𝘦, 𝘵𝘸𝘰 𝘴𝘯𝘢𝘬𝘦𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘳𝘦𝘦,
𝘞𝘩𝘰'𝘴 𝘣𝘰𝘶𝘯𝘥 𝘢𝘯𝘥 𝘸𝘩𝘰'𝘴 𝘧𝘳𝘦𝘦!


𝘓𝘪𝘬𝘦 𝘧𝘳𝘰𝘨𝘴 𝘪𝘯 𝘢 𝘩𝘰𝘵 𝘱𝘰𝘵, 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘶𝘯𝘥𝘳𝘦𝘴𝘴; 𝘭𝘪𝘬𝘦 𝘢𝘮𝘢𝘵𝘦𝘶𝘳𝘴. 𝘛𝘩𝘦 𝘴𝘮𝘰𝘬𝘦 𝘧𝘳𝘰𝘮 𝘚𝘩𝘢𝘵𝘳𝘶𝘥𝘩𝘢'𝘴 𝘤𝘪𝘨𝘢𝘳 𝘸𝘢𝘧𝘵𝘴 𝘢𝘤𝘳𝘰𝘴𝘴 𝘈𝘳𝘺𝘢'𝘴 𝘯𝘢𝘷𝘦𝘭 𝘵𝘰 𝘩𝘦𝘳 𝘸𝘪𝘯𝘵𝘦𝘳, 𝘢𝘶𝘵𝘶𝘮𝘯, 𝘴𝘱𝘳𝘪𝘯𝘨...

••••••


তোর জীবনেও বিদ্যুৎ যতি ফেলে;
আমার প্রিয় শ্রমিকের দেহের অনধিকার,
চাইছে তোমায় নিশ্বাসে প্রশ্বাসে,
নরকের চৌকাঠ শেষে অশ্লীল কারবার!

তার পরে জানি অন্য স্তোত্র তোর
শীতে জমে যায় শালের নিচের গ্রাম,
মিথ্যে নিঠুর গল্পের গ্রাফিটিতে,
তুই লিখে নিস সব তারাদের নাম?


••••••

𝗣𝗔𝗥𝗧 𝟯 • 𝗧𝗛𝗘 𝗧𝗢𝗔𝗗

𝘐 𝘸𝘢𝘭𝘬 𝘵𝘩𝘳𝘰𝘶𝘨𝘩 𝘢 𝘱𝘶𝘳𝘱𝘭𝘦 𝘵𝘶𝘯𝘯𝘦𝘭, 𝘤𝘰𝘬𝘦𝘥 𝘵𝘰 𝘮𝘺 𝘤𝘰𝘳𝘦. 𝘐 𝘬𝘯𝘰𝘸 𝘮𝘺 𝘴𝘰𝘯𝘨𝘴 𝘢𝘳𝘦 𝘧𝘰𝘳𝘣𝘪𝘥𝘥𝘦𝘯 𝘪𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘤𝘪𝘵𝘺. 𝘉𝘶𝘵 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘪𝘴𝘯'𝘵 𝘵𝘩𝘦 𝘤𝘪𝘵𝘺 𝘸𝘦 𝘭𝘪𝘷𝘦 𝘪𝘯, 𝘪𝘴 𝘪𝘵? 𝘐𝘴𝘯'𝘵 𝘪𝘵 𝘵𝘩𝘦 𝘰𝘯𝘦 𝘺𝘰𝘶 𝘱𝘢𝘪𝘯𝘵𝘦𝘥, 𝘢𝘯𝘥 𝘐 𝘷𝘰𝘸𝘦𝘥 𝘵𝘰 𝘱𝘳𝘰𝘵𝘦𝘤𝘵?


•••••• 


ঔচিত্যের গোলাম স্বর্ণকার,
সোনার তালে নরম মাটির টান,
বিষদাঁত বলে কালকেউটের ধার,
তোর শহরে চোরেদের অনুদান!


••••••


𝗣𝗔𝗥𝗧 𝟰 • 𝗠𝗢𝗥𝗘 𝗣𝗦𝗬𝗖𝗛𝗘𝗗𝗘𝗟𝗜𝗔

𝘈 𝘺𝘦𝘢𝘳 𝘭𝘢𝘵𝘦𝘳, 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘪𝘴 𝘴𝘪𝘵𝘵𝘪𝘯𝘨 𝘰𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘦𝘵𝘳𝘰 𝘢𝘵 𝘉𝘢𝘯𝘨𝘢𝘭𝘰𝘳𝘦. 𝘐𝘵 𝘩𝘢𝘥 𝘣𝘦𝘦𝘯 𝘢 𝘴𝘶𝘯𝘯𝘺, 𝘸𝘢𝘳𝘮 𝘥𝘢𝘺 𝘴𝘰 𝘧𝘢𝘳. 𝘐𝘵 𝘩𝘢𝘥 𝘢𝘭𝘴𝘰 𝘣𝘦𝘦𝘯 𝘴𝘰𝘮𝘦 𝘮𝘰𝘯𝘵𝘩𝘴 𝘴𝘩𝘦 𝘩𝘢𝘥 𝘣𝘦𝘦𝘦𝘯 𝘢𝘸𝘢𝘺 𝘧𝘳𝘰𝘮 𝘒𝘰𝘭𝘬𝘢𝘵𝘢. 𝘗𝘦𝘰𝘱𝘭𝘦 𝘩𝘢𝘥 𝘣𝘦𝘦𝘯 𝘨𝘳𝘰𝘢𝘯𝘪𝘯𝘨, 𝘣𝘶𝘵 𝘴𝘩𝘦, 𝘰𝘣𝘷𝘪𝘰𝘶𝘴𝘭𝘺, 𝘯𝘦𝘦𝘥𝘦𝘥 𝘢 𝘧𝘳𝘦𝘴𝘩 𝘴𝘵𝘢𝘳𝘵. 𝘚𝘰 𝘴𝘩𝘦 𝘨𝘰𝘵 𝘢 𝘫𝘰𝘣 𝘩𝘦𝘳𝘦. 

𝘈𝘴 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘴𝘢𝘵 𝘴𝘯𝘶𝘨𝘭𝘺 𝘤𝘭𝘶𝘵𝘤𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘩𝘦𝘳 𝘣𝘢𝘨, 𝘴𝘩𝘦 𝘤𝘰𝘶𝘭𝘥𝘯'𝘵 𝘩𝘦𝘭𝘱 𝘣𝘶𝘵 𝘯𝘰𝘵𝘪𝘤𝘦 𝘢 𝘴𝘵𝘳𝘢𝘯𝘨𝘦 𝘣𝘶𝘻𝘻𝘪𝘯𝘨 𝘴𝘰𝘶𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘢𝘱𝘱𝘢𝘳𝘦𝘯𝘵𝘭𝘺 𝘴𝘦𝘦𝘮𝘦𝘥 𝘵𝘰 𝘩𝘢𝘷𝘦 𝘯𝘰 𝘴𝘰𝘶𝘳𝘤𝘦. 𝘐𝘵 𝘸𝘢𝘴 𝘢𝘴 𝘪𝘧 𝘪𝘵 𝘸𝘢𝘴 𝘵𝘩𝘦𝘳𝘦 𝘢𝘭𝘭 𝘵𝘩𝘪𝘴 𝘵𝘪𝘮𝘦, 𝘢𝘯𝘥 𝘺𝘦𝘵 𝘯𝘰 𝘰𝘯𝘦 𝘬𝘯𝘦𝘸 𝘪𝘵 𝘵𝘰 𝘦𝘹𝘪𝘴𝘵. 𝘐𝘵 𝘸𝘢𝘴 𝘢𝘴 𝘪𝘧 𝘪𝘵 𝘩𝘢𝘥 𝘢 𝘱𝘶𝘭𝘴𝘢𝘵𝘪𝘯𝘨 𝘳𝘩𝘺𝘵𝘩𝘮 𝘰𝘧 𝘪𝘵𝘴 𝘰𝘸𝘯. 𝘈 𝘳𝘩𝘺𝘵𝘩𝘮 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘬𝘯𝘦𝘸. 𝘞𝘪𝘵𝘩𝘰𝘶𝘵 𝘮𝘶𝘤𝘩 𝘵𝘩𝘰𝘶𝘨𝘩𝘵, 𝘴𝘩𝘦 𝘳𝘦𝘢𝘭𝘪𝘻𝘦𝘥, 𝘪𝘵 𝘸𝘢𝘴 𝘵𝘩𝘦 𝘴𝘢𝘮𝘦 𝘳𝘩𝘺𝘵𝘩𝘮 𝘢𝘴 𝘩𝘦𝘳 𝘰𝘸𝘯 𝘩𝘦𝘢𝘳𝘵𝘣𝘦𝘢𝘵. 

𝘈𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘯, 𝘴𝘩𝘦 𝘴𝘢𝘸 𝘵𝘩𝘦 𝘣𝘭𝘶𝘦 𝘮𝘦𝘯.

𝘛𝘩𝘦𝘺 𝘸𝘦𝘳𝘦 𝘭𝘪𝘵𝘵𝘭𝘦 𝘢𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘸𝘦𝘳𝘦 𝘤𝘰𝘮𝘪𝘯𝘨 𝘪𝘯 𝘰𝘶𝘵 𝘰𝘧 𝘯𝘰𝘸𝘩𝘦𝘳𝘦. 𝘛𝘩𝘦𝘺 𝘸𝘦𝘳𝘦, 𝘮𝘢𝘺𝘣𝘦, 𝘵𝘸𝘰, 𝘵𝘸𝘰 𝘢𝘯𝘥 𝘢 𝘩𝘢𝘭𝘧 𝘪𝘯𝘤𝘩𝘦𝘴 𝘪𝘯 𝘴𝘪𝘻𝘦? 𝘛𝘩𝘦𝘺 𝘩𝘢𝘥 𝘦𝘯𝘰𝘳𝘮𝘰𝘶𝘴 𝘩𝘦𝘢𝘥𝘴, 𝘵𝘪𝘯𝘺 𝘣𝘰𝘥𝘪𝘦𝘴 𝘢𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘤𝘢𝘳𝘳𝘪𝘦𝘥 𝘴𝘵𝘳𝘢𝘯𝘨𝘦, 𝘨𝘶𝘯-𝘭𝘪𝘬𝘦 𝘸𝘦𝘢𝘱𝘰𝘯𝘴 𝘪𝘯 𝘵𝘩𝘦𝘪𝘳 𝘩𝘢𝘯𝘥𝘴. 𝘛𝘩𝘦𝘺 𝘳𝘶𝘴𝘩𝘦𝘥 𝘰𝘶𝘵 𝘢𝘯𝘥 𝘧𝘰𝘳𝘮𝘦𝘥 𝘢 𝘭𝘪𝘯𝘦, 𝘮𝘢𝘳𝘤𝘩𝘦𝘥 𝘢𝘯𝘥 𝘴𝘢𝘯𝘨. 𝘈𝘯𝘥 𝘢𝘭𝘴𝘰, 𝘢𝘱𝘱𝘢𝘳𝘦𝘯𝘵𝘭𝘺 𝘯𝘰 𝘰𝘯𝘦 𝘦𝘭𝘴𝘦 𝘰𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘦𝘵𝘳𝘰 𝘸𝘢𝘴 𝘣𝘰𝘵𝘩𝘦𝘳𝘦𝘥 𝘢𝘣𝘰𝘶𝘵 𝘵𝘩𝘦𝘪𝘳 𝘦𝘹𝘪𝘴𝘵𝘦𝘯𝘤𝘦. 𝘈𝘴 𝘪𝘧 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘫𝘶𝘴𝘵 𝘸𝘦𝘳𝘦𝘯'𝘵 𝘵𝘩𝘦𝘳𝘦. 

𝘈𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘯 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘯𝘰𝘵𝘪𝘤𝘦𝘥 𝘸𝘩𝘦𝘳𝘦 𝘵𝘩𝘦𝘺 𝘸𝘦𝘳𝘦 𝘢𝘭𝘭 𝘨𝘰𝘪𝘯𝘨. 

𝘛𝘩𝘦 𝘭𝘪𝘵𝘵𝘭𝘦 𝘣𝘭𝘶𝘦 𝘮𝘦𝘯 𝘮𝘢𝘳𝘤𝘩𝘦𝘥 𝘶𝘱𝘵𝘰 𝘢 𝘮𝘢𝘯 𝘸𝘩𝘰 𝘸𝘢𝘴 𝘴𝘪𝘵𝘵𝘪𝘯𝘨 𝘪𝘯 𝘢 𝘤𝘰𝘳𝘯𝘦𝘳, 𝘢𝘭𝘮𝘰𝘴𝘵 𝘤𝘢𝘮𝘰𝘶𝘧𝘭𝘢𝘨𝘦𝘥 𝘣𝘺 𝘵𝘩𝘦 𝘤𝘳𝘰𝘸𝘥. 𝘏𝘦 𝘩𝘢𝘥 𝘢 𝘴𝘩𝘢𝘷𝘦𝘥 𝘩𝘦𝘢𝘥, 𝘢𝘯𝘥 𝘸𝘰𝘳𝘦 𝘴𝘢𝘧𝘧𝘳𝘰𝘯 𝘳𝘰𝘣𝘦𝘴, 𝘴𝘰 𝘱𝘳𝘦𝘴𝘶𝘮𝘢𝘣𝘭𝘺 𝘩𝘦 𝘸𝘢𝘴 𝘢 𝘮𝘰𝘯𝘬. 𝘏𝘦 𝘤𝘢𝘳𝘳𝘪𝘦𝘥 𝘢 𝘴𝘢𝘧𝘧𝘳𝘰𝘯 𝘵𝘰𝘵𝘦, 𝘢𝘯𝘥 𝘢𝘭𝘭 𝘵𝘩𝘦 𝘭𝘪𝘵𝘵𝘭𝘦 𝘣𝘭𝘶𝘦 𝘮𝘦𝘯 𝘮𝘢𝘳𝘤𝘩𝘦𝘥 𝘳𝘪𝘨𝘩𝘵 𝘪𝘯𝘵𝘰 𝘪𝘵. 

𝘏𝘰𝘸𝘦𝘷𝘦𝘳, 𝘵𝘩𝘪𝘴 𝘮𝘢𝘨𝘯𝘪𝘧𝘪𝘤𝘦𝘯𝘵 𝘴𝘱𝘦𝘤𝘵𝘢𝘤𝘭𝘦 𝘸𝘢𝘴 𝘴𝘶𝘣𝘰𝘳𝘥𝘪𝘯𝘢𝘵𝘦𝘥 𝘣𝘺 𝘵𝘩𝘦 𝘧𝘢𝘤𝘵 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘳𝘦𝘢𝘭𝘪𝘴𝘦𝘥 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘴𝘩𝘦 𝘬𝘯𝘦𝘸 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘰𝘯𝘬 𝘧𝘳𝘰𝘮 𝘴𝘰𝘮𝘦𝘸𝘩𝘦𝘳𝘦. 𝘓𝘪𝘬𝘦 𝘢 𝘥𝘪𝘴𝘵𝘢𝘯𝘵 𝘴𝘸𝘦𝘦𝘵 𝘴𝘶𝘮𝘮𝘦𝘳 𝘮𝘦𝘮𝘰𝘳𝘺. 𝘓𝘪𝘬𝘦 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘦𝘮𝘰𝘳𝘺 𝘰𝘧 𝘢 𝘉𝘢𝘤𝘩 𝘤𝘰𝘯𝘤𝘦𝘳𝘵 𝘰𝘯 𝘢𝘯 𝘈𝘶𝘵𝘶𝘮𝘯 𝘦𝘷𝘦𝘯𝘪𝘯𝘨? 𝘠𝘦𝘴, 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘣𝘦𝘢𝘶𝘵𝘪𝘧𝘶𝘭. 𝘛𝘩𝘦 𝘮𝘰𝘯𝘬 𝘭𝘰𝘰𝘬𝘦𝘥 𝘢𝘵 𝘈𝘳𝘺𝘢. 𝘛𝘩𝘦𝘺 𝘦𝘹𝘤𝘩𝘢𝘯𝘨𝘦𝘥 𝘨𝘭𝘢𝘯𝘤𝘦𝘴. 𝘈𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘰𝘯𝘬 𝘴𝘮𝘪𝘭𝘦𝘥 𝘵𝘩𝘦 𝘱𝘶𝘳𝘦𝘴𝘵 𝘴𝘮𝘪𝘭𝘦 𝘦𝘷𝘦𝘳. 

𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘯𝘰𝘵𝘪𝘤𝘦𝘥 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘵𝘩𝘦 𝘣𝘭𝘶𝘦 𝘮𝘦𝘯 𝘩𝘢𝘷𝘦 𝘢𝘭𝘭 𝘤𝘳𝘢𝘸𝘭𝘦𝘥 𝘪𝘯𝘵𝘰 𝘩𝘪𝘴 𝘣𝘢𝘨. 𝘈𝘯𝘥 𝘫𝘶𝘴𝘵 𝘭𝘪𝘬𝘦 𝘴𝘰, 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘰𝘯𝘬 𝘥𝘦𝘣𝘰𝘢𝘳𝘥𝘦𝘥.

𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘵𝘳𝘪𝘦𝘥 𝘵𝘰 𝘴𝘩𝘢𝘬𝘦 𝘪𝘵 𝘰𝘧𝘧. 𝘚𝘩𝘦 𝘸𝘢𝘴 𝘵𝘰 𝘨𝘦𝘵 𝘰𝘧𝘧 𝘢𝘵 𝘵𝘩𝘦 𝘯𝘦𝘹𝘵 𝘴𝘵𝘢𝘵𝘪𝘰𝘯. 𝘞𝘩𝘺 𝘣𝘰𝘵𝘩𝘦𝘳?

𝘈𝘴 𝘴𝘩𝘦 𝘨𝘰𝘵 𝘰𝘧𝘧 𝘵𝘩𝘦 𝘵𝘳𝘢𝘪𝘯 𝘢𝘯𝘥 𝘸𝘢𝘴 𝘢𝘱𝘱𝘳𝘰𝘢𝘤𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘵𝘩𝘦 𝘴𝘵𝘢𝘵𝘪𝘰𝘯 𝘨𝘢𝘵𝘦𝘴, 𝘴𝘩𝘦 𝘳𝘦𝘢𝘭𝘪𝘻𝘦𝘥 𝘪𝘵 𝘸𝘢𝘴 𝘳𝘢𝘪𝘯𝘪𝘯𝘨. 𝘗𝘰𝘶𝘳𝘪𝘯𝘨, 𝘪𝘯 𝘧𝘢𝘤𝘵. 𝘚𝘩𝘦 𝘨𝘰𝘵 𝘩𝘦𝘳 𝘶𝘮𝘣𝘳𝘦𝘭𝘭𝘢 𝘰𝘶𝘵, 𝘢𝘯𝘥 𝘴𝘵𝘢𝘳𝘵𝘦𝘥 𝘸𝘢𝘭𝘬𝘪𝘯𝘨. 𝘉𝘢𝘳𝘦𝘭𝘺 𝘩𝘢𝘥 𝘴𝘩𝘦 𝘵𝘢𝘬𝘦𝘯 𝘢 𝘧𝘦𝘸 𝘴𝘵𝘦𝘱𝘴, 𝘦𝘷𝘦𝘳𝘺𝘵𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘸𝘦𝘯𝘵 𝘣𝘭𝘢𝘯𝘬.

𝘈𝘳𝘺𝘢 '𝘸𝘰𝘬𝘦 𝘶𝘱' 𝘪𝘯 𝘢 𝘧𝘪𝘦𝘭𝘥 𝘢𝘭𝘮𝘰𝘴𝘵 𝘪𝘯𝘴𝘵𝘢𝘯𝘵𝘢𝘯𝘦𝘰𝘶𝘴𝘭𝘺. 𝘐𝘵 𝘸𝘢𝘴 𝘢 𝘴𝘵𝘳𝘢𝘯𝘨𝘦, 𝘔𝘶𝘳𝘢𝘬𝘢𝘮𝘪-𝘦𝘴𝘲𝘦 𝘧𝘦𝘦𝘭𝘪𝘯𝘨. 𝘈𝘴 𝘪𝘧, 𝘪𝘵 𝘸𝘢𝘴𝘯'𝘵 𝘧𝘰𝘳 𝘦𝘷𝘦𝘯 𝘢 𝘴𝘦𝘤𝘰𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘴𝘩𝘦'𝘥 𝘣𝘦𝘦𝘯 𝘶𝘯𝘤𝘰𝘯𝘴𝘤𝘪𝘰𝘶𝘴. 𝘈𝘴 𝘪𝘧, 𝘴𝘰𝘮𝘦𝘰𝘯𝘦 𝘴𝘸𝘪𝘵𝘤𝘩𝘦𝘥 𝘩𝘦𝘳 𝘰𝘧𝘧 𝘧𝘳𝘰𝘮 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘦𝘵𝘳𝘰 𝘴𝘵𝘢𝘵𝘪𝘰𝘯 𝘢𝘯𝘥 𝘪𝘮𝘮𝘦𝘥𝘪𝘢𝘵𝘦𝘭𝘺 𝘴𝘸𝘪𝘵𝘤𝘩𝘦𝘥 𝘩𝘦𝘳 𝘰𝘯 𝘢𝘵 𝘵𝘩𝘪𝘴 𝘴𝘪𝘵𝘶𝘢𝘵𝘪𝘰𝘯. 

𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘨𝘰𝘵 𝘶𝘱, 𝘭𝘰𝘰𝘬𝘦𝘥 𝘢𝘳𝘰𝘶𝘯𝘥. 𝘌𝘷𝘦𝘳𝘺𝘵𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘢𝘳𝘰𝘶𝘯𝘥 𝘸𝘢𝘴 𝘪𝘯 𝘚𝘦𝘱𝘪𝘢, 𝘷𝘢𝘨𝘶𝘦𝘭𝘺 𝘧𝘢𝘮𝘪𝘭𝘪𝘢𝘳. 𝘈 𝘣𝘶𝘪𝘭𝘥𝘪𝘯𝘨 𝘸𝘢𝘴 𝘵𝘰 𝘩𝘦𝘳 𝘳𝘪𝘨𝘩𝘵. 𝘚𝘩𝘦 𝘵𝘰𝘰𝘬 𝘢 𝘨𝘭𝘢𝘯𝘤𝘦 𝘢𝘯𝘥 𝘪𝘵 𝘸𝘢𝘴 𝘦𝘯𝘰𝘶𝘨𝘩 𝘵𝘰 𝘵𝘦𝘭𝘭 𝘩𝘦𝘳 𝘴𝘩𝘦 𝘸𝘢𝘴 𝘪𝘯 𝘒𝘰𝘭𝘬𝘢𝘵𝘢, 𝘢𝘵 𝘵𝘩𝘦 𝘚𝘵. 𝘗𝘢𝘶𝘭'𝘴 𝘊𝘢𝘵𝘩𝘦𝘥𝘳𝘢𝘭. 

𝘕𝘰𝘸, 𝘩𝘰𝘸 𝘥𝘰𝘦𝘴 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘩𝘢𝘱𝘱𝘦𝘯? 𝘏𝘰𝘸 𝘥𝘰𝘦𝘴 𝘴𝘰𝘮𝘦𝘰𝘯𝘦 𝘴𝘸𝘪𝘵𝘤𝘩 𝘰𝘧𝘧 𝘢𝘵 𝘉𝘢𝘯𝘨𝘢𝘭𝘰𝘳𝘦 𝘢𝘯𝘥 𝘴𝘸𝘪𝘵𝘤𝘩 𝘰𝘯 𝘪𝘯 𝘒𝘰𝘭𝘬𝘢𝘵𝘢 𝘪𝘯 𝘯𝘰 𝘵𝘪𝘮𝘦?

𝘈𝘳𝘺𝘢 𝘴𝘢𝘵 𝘵𝘩𝘦𝘳𝘦, 𝘵𝘳𝘺𝘪𝘯𝘨 𝘵𝘰 𝘨𝘦𝘵 𝘢 𝘨𝘳𝘪𝘱 𝘰𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘰𝘴𝘵 𝘦𝘹𝘵𝘳𝘢𝘰𝘳𝘥𝘪𝘯𝘢𝘳𝘺 𝘩𝘢𝘱𝘱𝘦𝘯𝘪𝘯𝘨𝘴 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘸𝘦𝘳𝘦 𝘵𝘰𝘵𝘢𝘭𝘭𝘺 𝘶𝘯𝘧𝘢𝘵𝘩𝘰𝘮𝘢𝘣𝘭𝘦 𝘵𝘰 𝘩𝘦𝘳. 𝘈𝘯𝘥 𝘵𝘩𝘦𝘯 𝘩𝘢𝘱𝘱𝘦𝘯𝘦𝘥 𝘵𝘩𝘦 𝘶𝘯𝘵𝘩𝘪𝘯𝘬𝘢𝘣𝘭𝘦. 

𝘛𝘩𝘦 𝘣𝘭𝘶𝘦 𝘮𝘦𝘯 𝘳𝘦𝘢𝘱𝘱𝘦𝘢𝘳𝘦𝘥!

•••••••

ঘনিয়ে আসে তোর- আমার কালবেলা,
চোখ ভেঙে নামে নষ্ট শ্রাবণমাস,
এখনও তো কবি ঝুলছে ছাতিম গাছে,
চলছে কবির নিশ্বাস-প্রশ্বাস!

•••••••


𝗣𝗔𝗥𝗧 𝟱 • 𝗔𝗥𝗬𝗔 𝗔𝗡𝗗 𝗧𝗛𝗘 𝗧𝗢𝗔𝗗

"𝘏𝘰𝘸 𝘥𝘪𝘥 𝘛𝘏𝘈𝘛 𝘩𝘢𝘱𝘱𝘦𝘯?"
"𝘞𝘩𝘢𝘵?"
"𝘐 𝘸𝘢𝘴 𝘪𝘯 𝘉𝘢𝘯𝘨𝘢𝘭𝘰𝘳𝘦, 𝘩𝘰𝘸 𝘥𝘪𝘥 𝘐 𝘦𝘯𝘥 𝘶𝘱 𝘩𝘦𝘳𝘦?"
"𝘛𝘩𝘢𝘵'𝘴 𝘯𝘰𝘵 𝘦𝘷𝘦𝘯 𝘪𝘮𝘱𝘰𝘳𝘵𝘢𝘯𝘵. 𝘞𝘩𝘦𝘯, 𝘦𝘷𝘦𝘳𝘺𝘥𝘢𝘺 𝘺𝘰𝘶 𝘵𝘩𝘪𝘯𝘬 𝘰𝘧 𝘰𝘱𝘦𝘯𝘪𝘯𝘨 𝘱𝘰𝘳𝘵𝘢𝘭𝘴 𝘵𝘰 𝘱𝘭𝘢𝘤𝘦𝘴 𝘺𝘰𝘶'𝘭𝘭 𝘯𝘦𝘷𝘦𝘳 𝘣𝘦, 𝘺𝘰𝘶 𝘰𝘱𝘦𝘯 𝘥𝘰𝘰𝘳𝘴 𝘵𝘰 𝘯𝘦𝘷𝘦𝘳 𝘦𝘹𝘪𝘴𝘵. 𝘠𝘰𝘶 𝘣𝘦𝘤𝘰𝘮𝘦 𝘢 𝘚𝘢𝘬𝘶𝘳𝘢 𝘵𝘰 𝘢 𝘒𝘢𝘧𝘬𝘢. 𝘠𝘰𝘶 𝘥𝘢𝘯𝘤𝘦 𝘰𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘨𝘳𝘢𝘷𝘦𝘺𝘢𝘳𝘥 𝘰𝘧 𝘵𝘩𝘦 𝘧𝘪𝘳𝘦𝘧𝘭𝘪𝘦𝘴 ."
"𝘌𝘷𝘦𝘯 𝘪𝘧 𝘪𝘵 𝘣𝘦 𝘴𝘰, 𝘸𝘩𝘺 𝘢𝘮 𝘐 𝘩𝘦𝘳𝘦?"
"𝘞𝘦'𝘳𝘦 𝘢𝘭𝘸𝘢𝘺𝘴 𝘴𝘰𝘮𝘦𝘸𝘩𝘦𝘳𝘦 𝘧𝘰𝘳 𝘢 𝘳𝘦𝘢𝘴𝘰𝘯. 𝘔𝘢𝘺𝘣𝘦 𝘣𝘦𝘤𝘢𝘶𝘴𝘦 𝘺𝘰𝘶 𝘭𝘦𝘧𝘵 𝘴𝘰𝘮𝘦𝘵𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘩𝘦𝘳𝘦 ?"
"𝘐 𝘭𝘦𝘧𝘵 𝘯𝘰𝘵𝘩𝘪𝘯𝘨 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘐 𝘤𝘢𝘯 𝘵𝘩𝘪𝘯𝘬 𝘰𝘧."
"𝘛𝘩𝘢𝘵'𝘴 𝘸𝘰𝘳𝘴𝘦. 𝘛𝘩𝘢𝘵 𝘫𝘶𝘴𝘵 𝘮𝘦𝘢𝘯𝘴 𝘺𝘰𝘶 𝘭𝘦𝘧𝘵 𝘢 𝘣𝘪𝘵 𝘰𝘧 𝘺𝘰𝘶𝘳𝘴𝘦𝘭𝘧."
"𝘈𝘯𝘥 𝘦𝘹𝘢𝘤𝘵𝘭𝘺 𝘞𝘏𝘈𝘛 𝘥𝘰 𝘐 𝘥𝘰 𝘵𝘩𝘦𝘯?"
"𝘛𝘢𝘬𝘦 𝘪𝘵 𝘣𝘢𝘤𝘬."
"𝘛𝘰 𝘸𝘩𝘦𝘳𝘦?"
"𝘠𝘰𝘶'𝘥 𝘬𝘯𝘰𝘸 𝘵𝘩𝘢𝘵 𝘣𝘦𝘴𝘵. 𝘔𝘢𝘺𝘣𝘦 𝘉𝘩𝘳𝘮𝘢𝘳𝘤𝘢𝘪𝘵𝘯𝘺𝘢 𝘸𝘰𝘶𝘭𝘥 𝘬𝘯𝘰𝘸?"
"𝘠𝘰𝘶 𝘮𝘦𝘢𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘰𝘯𝘬 𝘰𝘯 𝘵𝘩𝘦 𝘮𝘦𝘵𝘳𝘰?"
"𝘐 𝘥𝘰𝘯'𝘵 𝘮𝘦𝘢𝘯 𝘢𝘯𝘺𝘵𝘩𝘪𝘯𝘨. 𝘐'𝘷𝘦 𝘴𝘵𝘰𝘱𝘱𝘦𝘥 𝘮𝘢𝘬𝘪𝘯𝘨 𝘴𝘦𝘯𝘴𝘦 𝘸𝘢𝘺 𝘣𝘢𝘤𝘬." 



•••••••

তোর পাঁচালী আমার হাতেই লেখা,
আমিই জানি গল্পের শেষ পাতা,
তবু কাকেদের সেনা কবিকে সাহস দেয়,
কবি ভুলে যায় কে তার অন্নদাতা!

খুব রাগ করে থাকিস বা তুই যদি,
একটা পাহাড় আমিও চিনি, জানিস
সেই পাহাড়ে ভালো-মন্দ শেষে,
আমি যাকে ভালোবেসেছি, তাকে আনিস!

ইমানদারির ইমারত নির্মাণ,
আমার হাতের নাইবা পেল মাটি,
তোর শহরের অলিতে গলিতে সাধু,
এখনও যে ঘোরে নিয়ে ভিক্ষার বাটি!

তবু মুছে যায়, অন্ধ হাওয়ার গান,
মুছে যায় আমাদের সব হাসি,
তুই ভুলে যাস বৃষ্টি ফোঁটার নাম,
আমি ভুলে যাই আমি কাকে ভালোবাসি।

এক পা, দু পা, চাইছি ছুঁতে তোকে,
আমার ভুলের লম্বা হিসেব খুব,
জ্বরের নামে ভুল বকি যদি তোকে,
জানবি সেসব অজ্ঞ, অরন্তুদ।

••••••

I shut my laptop at this point. Arya pulls out the rusted jhumkas from her purse. Lays them on the ground, and leaves. 

Maybe there was a field beyond our rightdoings and wrongdoings all along. I just didn't know where.

••••••

नादान तो हम दोनों ही थे। हम तो बस सम्मान और ज़िम्मेदारी के दबाव में दब गए।

With love,
JT.




PS: Sign my copy of "Fault in Our Stars" someday. The one you gifted. I read it a lot.

Comments

Popular Posts