ফ্রয়েড
অচেনা, তোর দুঃখগুলো জেরক্স করে লিটল ম্যাগাজিন ছাপাতে ইচ্ছে হয় খুব।
পাতায় পাতায় শুধু রূপহীন বর্ণহীন স্বাদহীন কান্নাগুলো এক্কাদোক্কা খেলবে তোর নারীত্বের ছককাটা দালানে। একটানা গোঙানির মত আমি সুর করে মেছুনিমঙ্গল পাঠ করবো শেষ পাতায়।
চাঁদের গায়ে শেকল, গলায় শেকল, পায়ে শেকল, চাঁদ ডুবে যায় অপয়া নদীর জলে।
তুইও যদি অকালবসন্তে নটেগাছটি মোড়াস, আর কাকে চাইবো, গঙ্গাবক্ষের একফালি অশুভ বৈকালিক কামজ রঁদেভুতে? তার চেয়ে চল, জেপলিন আর ভাঁড়ের চায়ের খুশিগুলো আমরা তিন ভাগ করি। এক ভাগ তোর, এক ভাগ আমার, আর তুই পর হয়ে গেলে মেট্রোরেলের জন্যে এক ভাগ।
আর সেই খুশিগুলো যখন চৌকাঠ মাড়িয়ে কেটে পড়বে, তখন তোকে স্টেজে দাঁড় করানোর দায় আমার। সবকটা লাইট তোর ওপর, দুশোটা ফাঁকা সিট তোর জন্য পৃথিবীর ঘৃণ্যতম শব্দগুলো জুড়ে জুড়ে পাঁচালী লিখবে। আমার ধূসর ক্যানভাসে ততক্ষণে ফুটে উঠেছে তোর খোলা চুল, বাদামি কোমরের হিমশীতল ক্লান্তি, বুকের নিস্তব্ধতা, গোড়ালির হাহাকার, এ টু জেড।
মাতাল মাতাল লাগবে যখন, তুই উইংসের পাশ থেকে দুও দেওয়া অপগণ্ডগুলোকে হুশ হুশ করে তাড়িয়ে দিস। ভেষজ প্রেম দেখা যাদের অভ্যাস তারা ন্যুড ষ্টাডি কি বুঝবে?
জানি না কাকে বেশি ন্যাঙটো দেখতে চাই, কলকাতাকে, না তোকে, তবে হ্যাঁ;
অচেনা, তোকে দেখে সাধুরও চলকায়!
Comments
Post a Comment