বৃষ্টির দিন যা লেখায়

১.

বৃষ্টির সড়কে তোমার ছায়াটা সরে-সরে যাচ্ছে।

আমি লিখে রাখবো সব

আমি পড়ে রাখবো সব লিপি,
আমি বাঁজা খাটে পাপ বুনে দেব,

তোমার ছায়া একেবারে সরে যাবে যখন,

পাঁজর ভর্তি জল নিয়ে,
নির্নিমেষ,

শুধু তাকিয়ে থাকা, দামি গান, আর কমদামি আঙুল-
টুকরো কুড়িয়ে চলবে আমার দিন?

২. 

বৃষ্টির সড়কে আমার শরীর চেপ্টে গেছে।

রোলার চালিয়ে দিয়েছে হায়েনার দল।

পাপ করেছি।
মরা পাখি নিয়ে একটা লাইনও লিখিনি।

বলেছি,

তোমার বুকের ওম ছোঁবো, 
কালিতে ঘাঁটা সন্ধেবেলায়, 
অশ্বত্থ তার পাতার ফাঁকে গোপন করবে চাঁদের বল্লম,

আমি খাপ থেকে বের করতে ভুলে যাবো টিনের তলোয়ার-

দুও দেবে-

৩.

বৃষ্টির শরীরে হাত রেখেছি আমি।

বৃষ্টির কাছে গোলামির যে সুখ,
চোখে মরা, আধখাওয়া ঘুঘুর ছানা না দেখলে,
বিশ্বাস করা মুশকিল।

(হ্যাঁ, ওদের হুলোয় খেয়েছে)

পালিয়ে তোমার শরীরে একেবারে সেঁধিয়ে যেতে দেবে‌ আমায়?
যতদূর যেতে পারি,
বিনা মাশুলে অবশ্যই;

চলে যাবো।

৪.

হুলো দেখলে ভয় করে,

হাত বাড়িয়ে পাবো তোমায়?

শব্দ শুকিয়ে যাওয়া রাতে,
ক্যান্সারের মত প্রকাশ্য, বেশ ঘাঁটা একটা সাইক্লোন,
তোমার বিছানায় পড়লে,
চিনতে পারো সেসব?

চেনা লোক অচেনা খামে এলে,
ভয় করে না?

মরা শুশুক ভেসে আসতে দাও।
আমি জলে চোখ রেখেছি, একা, নার্সিসাস!

বৃষ্টি হয়ে আমায় গঙ্গামাটি অব্দি নিয়ে চলো।
আরো, আরো কাদায়.... 
আরো অতলে....

Comments

Popular Posts