হ্যালো কামরেট
দিশি মদ পাওয়া যায় এদিকে,
খাই না সংগঠনে বারণ আছে বলে।
মদ বারণ, বিড়ি সিগারেট বারণ,
সিরিয়াস মুখে হ্যালো কামরেট শুনে মনে হয় প্রেম বারণ,
প্রশ্ন করা উচিৎ,
কিন্তু উত্তর চাওয়া বারণ।
ঠিক ধরেছিস।
লাইনটা তোর জন্যেই লেখা।
সেদিন ঝর্ণাটার কাছে যেতে গিয়ে দেখি,
বৃষ্টি পড়ে মাথা সমান যে ঘাসগুলো -
সেগুলো ঝুঁকে পড়ে রাস্তা ঢেকে দিয়েছে।
কাদা, জল জমে একাকার।
আর সেই ঘাসের ফাঁকে, দূরে একটা কালো, বিশাল ধেড়ে একখানা বুনো শুয়োর...
আরেঃ ধ্যাৎ,
এসব আবার কী লিখছি!
দেখ তোকে কিন্তু আমি বলেছি হায়দরাবাদ আসতে।
আর হ্যাঁ,
আসা মানে এসেই ভাগলবা না।
আমার ঘরে, আমার খাটে বসে খানিক চুলে বিলি কেটে দিস।
লাবিবদার সাথে, প্রিমাদির সাথে বসে ভুলভাল সুরে যখন গান গাই,
মানে,
গান তো কোনোকালেই ভালো গাই না,
তাও, থাকিস তুই পাশে!
আচ্ছা, তুই যদি ধর সত্যিই আসলি,
এসেই আগে বিড়ি ছাড়তে বলবি?
নাকি ঘরে কেন এত ধুলো, তাই নিয়ে খোঁচাবি?
অবশ্য যাই বলিস,
কী যায় আসে!
আমার খাটে ট্যারচা হয়ে চাঁদের আলো এসে পড়ে।
তুই জামা ছেড়ে,
সাদা মার্বেলের ভেনাস হয়ে বসে,
আলতো করে রামে চুমুক দিস!
হ্যাঁ, আমি মানছি,
মানছি,
তোকে নিয়ে কবিতা লিখিনি, লিখি না!
এমনকি এটা, যেটা পড়ছিস,
সেটা তো আদপেই কবিতা নয়।
শোভাবাজারের ওই ঘাটটা কবিতা ছিল।
চায়ের দোকানে তেড়ে ঝামেলা বাধিয়ে ফ্রী তে দেশলাই আনাও কবিতা ছিল।
আমি শালা মুখে চারমিনার ধরে ক্যালানেকেষ্ট হয়ে দেখছিলাম।
মেয়েটা করে কী!
যে নদী নারীর মত,
আমি তাকে বুঝি,
যে নারী নদীর মত,
তাকে বুঝি না।
আমি সোনালী বালির ওপর সোনালী রোদ এসে পড়া বিকেলে সুবর্ণরেখাকে ভালবেসেছি,
কলেজ স্ট্রিটে তোকে দেখে বুঝিনি তুই কে, কেন, কী!
হ্যাঁ, অবশ্য এটা ঠিক যে তখন,
মানে এই কিছুক্ষণ আগে অবধি,
ধরে নে এটা লেখার আগে অবধি,
আমি বুঝতে চাইতাম তোকে।
এখন চাইছি না।
পারলে আসিস এদিকে।
আমি যাই। আয়েশ করে চেয়ারে পা তুলে বিড়ি ধরাই এবার।
Comments
Post a Comment