কচি কুমকুম কিসসা

গরীব লোকের হাতে কুমকুম ফালুদা ধরিয়ে তেঁয়ারা কয়েছেন, "ফর্মের পয়সা আমরা দেবো"

কচি উচ্চিংড়ে নেতা হবে।
গুটি গুটি পায়ে, ডান হাতে ফর্ম আর বাঁ হাতে গুটি চেপে, এগিয়ে গেছে কচি।
কচির বগলে রাম, পোঙায় রাবণ, ল্যাপ ডান্সিং দুঃখিনী সীতে।
কচি চলেছে নেতা হতে।
কচিকে যারা ভোট দেবে, তারা জানে তারা কচিকে ভোট দেবে।
কচিকে যারা ভোট দেবে না তারা জানে না কাকে ভোট দেবে।

কচি জানে ভোট পেয়ে কার পোঁদ মারবে।
কচির অপোনেন্ট জানে না তার মারা হবে।

এরপর কচি যাবে সেই হিটেড রেন্ডিখানায় যেখান থেকে দুশখাতে সাইকেল তুলে নিয়েছিল বিরাট কোহলির। ঢুকেই দেখবে মিমি মুখে গামছা দিয়ে পক পক পকাত আওয়াজ সহযোগে ঢুকে গেল অপারচুনিস্ট মামদোর ঘরে। কচি দুচোখ ভরে সেটা দেখবে, এবং সিঁড়ির তলায় বুবি ট্র্যাপ পেতে অপেক্ষা করবে, ফুচিদের সমাগম দেখতে। না, এটা চুদুরবুদুর নয়। এটা, ভারতের সাংবিধানিক অধিকার-রোবট এ্যাসিস্টেড অবাঙমানসগোচর হর্নি মেলবন্ধন।

কিন্তু তার পরে কচির কান্না পায়, কারণ কচি ঘরের ঘরের ছাদ দিয়ে কান্না ঝরেছিল। কিন্তু কচির কান্না যেহেতু নাজায়েজ, সেহেতু কচি থপ থপ করে দক্ষিণদিকে পা বাড়ায়। ওইদিকেই মদ আছে। অনেক অনেক মদ।

Comments

Popular Posts