চার দেয়ালের রং চিনেছে কেউ-
দেয়াল চিনেছে অন্য কিছু লোকে।

তারা গাছ চিনতে চেয়ে মরুভূমি চিনেছে,
আধিদৈবিক তাল চিনেছে, জেলাটিন স্টিক চিনেছে,
সমুদ্রের তলদেশ চিনেছে,
ডুবে যেতে যেতে চিনেছে না-জায়েজ দীপাবলি।

তক্ষকের বাসা চিনেছে তারা। সাপের ডিম, কুমিরের ছানা, আকাশ জুড়ে দরবারী কানাড়া বাজিয়ে স্নিগ্ধার গেরুয়া ধারণ...

কিছু লোক মড়া পোড়াতে, হাতুড়ি পিটতে জানে। কিছু লোক ভাল থাকতে জানে। 

সেই লোকগুলো ভেজা বিকেলে রোদবৃষ্টিজল ঠেলে টিউশন শেষে বাড়ি ফিরত। তারা ভাড়ার টাকা বাঁচিয়ে ঝালমুড়ি খেত। আনন্দের দিনে ডাক পেতো না, কিন্তু দুহাতে কান্না মুছতে তারা জানত। 

........

এমন একটা লোকের সাইকেল পড়ে গেছিল আলপথের মাঝে। দুপাশে চাষের জমি, ভাল বৃষ্টি হয়েছে সেবছর। সাইকেল ওঠাতে গিয়ে তাকে সপে কেটেছিল। মারা গেছিল লোকটা। তারপর তার বাড়িতে প্রদীপ জ্বালাতে সাহস পায়নি তার ভাই। অনেক পরে, অনেক অনেক পরে একদিন, সেই ভাইয়ের কলকাতার ভাড়ার বাসায় আগুন লেগেছিল। 

ভাই আলটিমেটলি জানত না পথের শুরু-শেষ, শুধু ধুসরিমায় মিশে যেতে যেতে, সে কলকাতার ভোরের কুয়াশাকে বলেছিল...

একসাথে ফসফরাস চিনবে উত্তরপৃথিবী।

Comments

Popular Posts