দস্তান। দস্তানগো। (২)
১. আমাদের পুকুরটার পাশেই পেয়ারাবাগান। তার গায়ে একটেরে হয়ে ডাঁশপিঁপড়ের বাসা। ভাই একবার পড়ে গিয়ে রাম কামড় খেয়েছিল পিঁপড়ের। ওর দোষ নেই যদিও। ছাগলে পেয়ারাপাতা চিবুচ্ছিল, তাড়া করেছিল হঠাৎ। গীতাকাকিমাদের পোষা ছাগল। ছেড়ে কেন রেখেছিল, কে জানে! আমাদের বাড়িটা থেকে বেরিয়ে প্রাইমারি স্কুলের মাঠ। মাঠ পেরোলে বাঁধ। বাঁধ থেকে সোজা হেঁটে গেলে ক্ষেত। আল বরাবর গেলে একটু চওড়া জায়গা পড়ে মাঝে মাঝে। ওপরে ছাউনি থাকে কোথাও কোথাও। ওগুলো বিড়িঘর। বিড়ি খেতে বসে লোকে। ছোট গোল্ডফ্লেক ধরালেও বিলাকাকারা জুলজুল করে দেখে। ভাবে, বড়লোক! আমার এই মাচার হলুদ ফুল, গীতাকাকিমার আঁচলে ঘুঁটে-গুল-রান্নাঘর ইত্যাদির গন্ধ, বঙ্কাদার নতুন মুদির দোকান, শ্মশানের পাশে অমরেশ্বরের মন্দির, এইসব ছাড়া বলার কিছু নেই। বর্ষার কেলেঘাই, মা নাচিন্দার মিনি ভার্শনের একটা মন্দির, হলুদ আর নীল রঙের সারিবাঁধা কয়েকটা বাড়ি আর সবুজ কয়েকটা পুকুর, কলাগাছ, এইসব নিয়েই বলতে পারি, লিখতে পারি। শরম হলে তোমার থেকে দূরে মুখ লুকিয়ে কেটে পড়তে পারি। ঈশ, ছি ছি, লোকে দেখলে বলবে কী? কেটে পড়ি মানে মানে। ২. আলট্রামেরিন রঙের রাত, ট্যাঙ্কি...